বাংলার উত্তরাঞ্চলের জনপদ নীলফামারী। যে মাটি যুগে যুগে অনেক গুণী মানুষের জন্ম দিয়েছে, সেই মাটিরই সন্তান কবি ও নাট্যকার আজহারুল ইসলাম আল আজাদ। আজ এই নিভৃতচারী কাব্যচাষী’র জন্মদিন। ০২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের সেই উত্তাল সময়ে জন্ম নেওয়া এই লেখক শৈশব থেকেই অক্ষরের সাথে গড়ে তুলেছেন এক গভীর মিতালি।
আজহারুল ইসলাম আল আজাদ মূলত বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি একাধারে কবি, নাট্যকার এবং ঔপন্যাসিক। তাঁর লেখায় ফুটে ওঠে শেকড় সংলগ্ন মানুষের কথা, যাপিত জীবনের আনন্দ-বেদনা এবং সমাজ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার কথা।
তাঁর সৃষ্টিকর্মগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় এক বিশাল ক্যানভাস:
নাট্যজগৎ: মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, আলোর পথে, ছোটজাত, অভাগিনী আমিনা, এই নাটকগুলোতে তিনি জীবনের রূঢ় বাস্তবতা ও আশার গল্প বুনেছেন।
কাব্যগ্রন্থ: নীলে খুঁজি কাব্যরস, অজেয় পরাজয়, নীল জীবনের গান, নীল কণ্ঠ, গদ্যময় জীবনের পদ্য কাব্যগ্রন্থে তাঁর দার্শনিক সত্তার প্রকাশ ঘটেছে।
কথাসাহিত্য: তাঁর রচিত উপন্যাস ইচ্ছে,বিষণ্ণ প্রহর, কেউ খোঁজ রাখে না, বিরহের যাত্রা, খুনশুটি নাকি প্রেম, জন্মদাতা বৃদ্ধ হতে নেই, প্রেমের অন্তরালে, পাঠকমহলে সমাদৃত হয়েছে মানুষের মনের গহীনের কথা বলার জন্য।
ইতিহাস ও ঐতিহ্য: ফিলিস্তিন দখল মুক্ত হবেই হবে।
ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত বিনয়ী এই মানুষটি কেবল নিজের সৃষ্টি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন না, বরং নতুন লেখক তৈরিতেও পালন করছেন অগ্রণী ভূমিকা। সাহিত্যের ছোট কাগজ টইটই সাহিত্য পত্রিকা এর প্রধান সম্পাদক ও টইটই লেখক ফোরামের সভাপতি অনেক গ্রন্থের প্রনেতা হিসেবে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সাহিত্যচর্চাকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
২০২৪ সালের বইমেলায় কবির সাথে সাক্ষাত হলে একান্ত এক আলাপচারিতায় তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর জীবনের মূলমন্ত্র— লেখালেখির মাঝে আমি বেঁচে থাকতে চাই, আল্লাহ ভরসা। এই একটি বাক্যই বলে দেয় স্রষ্টার প্রতি তাঁর অগাধ বিশ্বাস এবং সৃজনশীলতার প্রতি তাঁর আজন্ম তৃষ্ণা।
সাহিত্যের এই কণ্টকাকীর্ণ পথে কবি আজহারুল ইসলাম আল আজাদ আজ এক কাব্যচাষী হয়ে উঠছেন। নীলফামারী থেকে শুরু হওয়া তাঁর এই কলমযাত্রা আজ সারা দেশের সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে পৌঁছে গেছে। আজকের এই শুভ লগ্নে আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
আজহারুল ইসলাম আল আজাদ মূলত বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি একাধারে কবি, নাট্যকার এবং ঔপন্যাসিক। তাঁর লেখায় ফুটে ওঠে শেকড় সংলগ্ন মানুষের কথা, যাপিত জীবনের আনন্দ-বেদনা এবং সমাজ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার কথা।
তাঁর সৃষ্টিকর্মগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় এক বিশাল ক্যানভাস:
নাট্যজগৎ: মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, আলোর পথে, ছোটজাত, অভাগিনী আমিনা, এই নাটকগুলোতে তিনি জীবনের রূঢ় বাস্তবতা ও আশার গল্প বুনেছেন।
কাব্যগ্রন্থ: নীলে খুঁজি কাব্যরস, অজেয় পরাজয়, নীল জীবনের গান, নীল কণ্ঠ, গদ্যময় জীবনের পদ্য কাব্যগ্রন্থে তাঁর দার্শনিক সত্তার প্রকাশ ঘটেছে।
কথাসাহিত্য: তাঁর রচিত উপন্যাস ইচ্ছে,বিষণ্ণ প্রহর, কেউ খোঁজ রাখে না, বিরহের যাত্রা, খুনশুটি নাকি প্রেম, জন্মদাতা বৃদ্ধ হতে নেই, প্রেমের অন্তরালে, পাঠকমহলে সমাদৃত হয়েছে মানুষের মনের গহীনের কথা বলার জন্য।
ইতিহাস ও ঐতিহ্য: ফিলিস্তিন দখল মুক্ত হবেই হবে।
ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত বিনয়ী এই মানুষটি কেবল নিজের সৃষ্টি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন না, বরং নতুন লেখক তৈরিতেও পালন করছেন অগ্রণী ভূমিকা। সাহিত্যের ছোট কাগজ টইটই সাহিত্য পত্রিকা এর প্রধান সম্পাদক ও টইটই লেখক ফোরামের সভাপতি অনেক গ্রন্থের প্রনেতা হিসেবে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সাহিত্যচর্চাকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
২০২৪ সালের বইমেলায় কবির সাথে সাক্ষাত হলে একান্ত এক আলাপচারিতায় তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর জীবনের মূলমন্ত্র— লেখালেখির মাঝে আমি বেঁচে থাকতে চাই, আল্লাহ ভরসা। এই একটি বাক্যই বলে দেয় স্রষ্টার প্রতি তাঁর অগাধ বিশ্বাস এবং সৃজনশীলতার প্রতি তাঁর আজন্ম তৃষ্ণা।
সাহিত্যের এই কণ্টকাকীর্ণ পথে কবি আজহারুল ইসলাম আল আজাদ আজ এক কাব্যচাষী হয়ে উঠছেন। নীলফামারী থেকে শুরু হওয়া তাঁর এই কলমযাত্রা আজ সারা দেশের সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে পৌঁছে গেছে। আজকের এই শুভ লগ্নে আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
প্রতিনিধি :